বাচ্চাদের সরিষার তেল ব্যবহার উপকারিতা ও অপকারিতা
প্রিয় বন্ধুরা আপনার কি বাচ্চাদের সরিষার তেল ব্যবহার উপকারিতা ও অপকারিতা সম্পর্কে জানতে চাচ্ছেন। কিন্তু কোথাও এর সঠিক উত্তরটি খুঁজে পাচ্ছেন না। আজকের এই পোষ্টের মাধ্যমে আমরা জানতে পারবো বাচ্চাদের সরিষার তেল ব্যবহারের উপকারিতা ও অপকারিতা এবং সরিষার তেল খেলে কি ওজন কমে। এই সকল বিষয়ে তথ্য গুলো জানতে পুষ্টি মনোযোগ সহকারে পড়ুন
এছাড়া আমরা আরও জানতে পারবো প্রতিদিন সরিষার তেল খেলে কি সরিষার, তেল স্বাস্থ্যকর নাকি ক্ষতিকর, সরিষার তেলের মালিশ,সরিষার তেল স্বাস্থ্যকর নাকি ক্ষতিকর । বাচ্চাদের সরিষার তেল ব্যবহার উপকারিতা ও অপকারিতা,এবং চুলের জন্য সরিষার তেল উপকারী। এই সকল বিষয়ে জানতে পারবো
সরিষার তেলে খেলে কি ওজন কমে
আমরা প্রতিদিন রান্নার জন্য বিভিন্ন ধরনের তেল ব্যবহার করি এই তেলের মধ্যে রয়েছে সোয়াবিন সরিষা অলিভ অয়েল বিভিন্ন ধরনের তেল।
এই তেল গুলোর মধ্যে কোন তেল ব্যবহার করবে রান্না ক্ষেত্রে সেই বিষয়ে আমরা দ্বিধাদ্বন্দে পড়ে যাই। আমাদের মধ্যে অনেকেই আছে যারা মনে করেন তেল ব্যবহার করার ফলে ওজন বেড়ে যায় এজন্য তারা রান্নায় তেল ব্যবহার না করার দিকে বেশি মনোযোগী হয়ে উঠতেছে।
কিন্তু এরমধ্যে অনেক তেল রয়েছে যেগুলোর ফলে ওজন কমে যায়। সেই দিনগুলোর মধ্যে একটি হল সরিষার তেল। যার উপাদান গুলো আমাদের দেহের ওজন কমাতে অনেকটা সাহায্য করে।চলুন জানা যাক যেভাবে ওজন কমাতে সাহায্য করেঃ
বিশেষজ্ঞদের মধ্যে সরিষার তেলে বিশেষ ধরনের উপাদান রয়েছে যেগুলো আমাদের খাদ্যের বিপাক হার বাড়ানোর ক্ষেত্রে অনেকটা কাজ করে।এই তেলের মধ্যে রয়েছে এক ধরনের ভিটামিন। যার নাম হল ভিটামিন বি কমপ্লেক্স।
এই ভিটামিন বি আমাদের দেহের খাদ্য দ্রুত হজম করতে সাহায্য করে।আর আমরা সকলেই জানি খাদ্য দ্রুত হজম হলে আমাদের দেহের ওজন নিয়ন্ত্রণ থাকে। সরিষার তেলের শুধুমাত্র ভিটামিন বি হয়েছে তা নয় এছাড়া রয়েছে ওমেগা থ্রি এবং ওমেগা সিক্স ফ্যাটিক অ্যাসিড।
এগুলো আমাদের হৃদ যন্ত্র কে অনেকটা সুস্থ এবং স্বাস্থ্যসম্মত রাখতে সহায়তা করে।এগুলোর পাশাপাশি দেহে ভালো ফ্যাটের পরিমাণ বৃদ্ধি করতে থাকে যার।
ফলে আমাদের ওজন তো নিয়ন্ত্রণে থাকে এবং এর সাথে সাথে ওজন কমতেও পারে। সরিষার তেল যে শুধুমাত্র আমাদের ওজন কমায় বা নিয়ন্ত্রণ চিঠি নাই এছাড়া এর আরো বিশেষ রকমের গুণ রয়েছে।
এরফলে আমাদের কোলেস্টরেল নিয়ন্ত্রণে থাকে।সরিষার তেল খেলে আমাদের ওজন বাড়ে না ওজন নিয়ন্ত্রণ থাকে এবং কমতে পারে তাহলে বলা যায় ।
সরিষার তেল স্বাস্থ্যকর নাকি ক্ষতিকর
মানুষ সরিষার তেল বিভিন্ন কাজে ব্যবহার করে থাকে। বিশেষ করে মানুষ খাবারের জন্য ইটির ব্যবহার বেশি হয়ে থাকে। মানুষ মূলত সরিষার তেল ব্যবহার করে বিভিন্ন ধরনের ভর্তা ও আচার তৈরিতে।
এই তেল মুখের স্বাদ বাড়ানো সহ মুখে মাখা থেকে শুরু করে, ত্বকের যত্ন নেওয়ার জন্য এবং দেহের গাঁটের ব্যথা ভালো করার জন্য এটি ব্যবহার হয়।
পৃথিবীর চিকিৎসা বৃদ্ধের মতে সরিষার তেল মানব দেহের মস্তিষ্কের জন্য অন্যতম বিশেষ একটি তেল। এটি মানুষের স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধির ও পাশাপাশি অবসাদ কাটানোর ক্ষেত্রে বিশেষ ভাবে ব্যবহৃত হয।
এই তেলে রয়েছে ভিটামিন বি কমপ্লিট সম্মিলিত দুটি উপাদান একটি হল মনোআনস্যাচুরেটেড অপরটি হল পলিআনস্যাচুরেটেড ফ্যাট এই দুটি উপাদান আমাদের দেহে এর হৃদযন্ত্রকে সুস্থ রাখে।
এই তেল ব্যবহারের ফলে আমাদের দেহে ক্যান্সার প্রতিরোধ করার ক্ষমতা তৈরি হয়।পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে এটির বহুল ব্যবহার রয়েছে কিন্তু এর কিছু দেশে আবার এটা ব্যান করে দেওয়া হয়েছে।
কারণ এই তেলে রয়েছে প্রায় ৪০শতাংশ এরিউসিক নামক এক ধরনের এসিড।এর ফলে আমাদের দেহে টাইগ্লিসারয়েড নামক এক ধরনের পদার্থ তৈরি হয় যা আমাদের হৃদপিণ্ডকে নষ্ট করে দেয়।
এছাড়াও এটি আমাদের ফুসফুসে ক্যান্সারের সৃষ্টির পাশাপাশি অ্যানিমিয়া আমাদের দেহে তৈরি করে। চিকিৎসক বৃদ্ধের ধারণা মতে আমাদের দেহে যদি এরিউসিক নামক এসিড দীর্ঘদিন যাবত প্রবেশ করে তাহলে আমাদের হৃদযন্ত্র জন্য সেটির অত্যন্ত ক্ষতিকর হিসেবে গণ্য হবে।
এই এসিডটি অল্প পরিমাণে শরীরে প্রবেশ করলে কোন ক্ষতির নেই কিন্তু অধিক মাত্রায় যদি প্রবেশ করে তাহলে আমাদের দেড় জন অত্যন্ত ক্ষতিকর হিসেবে গণ্য হয়।
তাহলে বুঝতেই পারছেন যে সরিষার তেল আমাদের জন্য ক্ষতিকর নাকি স্বাস্থ্যকর। বাচ্চাদের সরিষার তেল খাওয়ার উপকারিতা ও অপকারিতা রয়েছে। ছোট বাচ্চার জন্য এটি অধিক মাত্রায় হলে তার জন্য এটি ক্ষতিকর হতে পারে।
সব সময় চেষ্টা করবেন খাঁটি সরিষার তেল ব্যবহার করার।কেননা আমরা যদি কোন মুদিখানার দোকান থেকে সরিষার তেল ক্রয় করে থাকি তাহলে সেখানে অধিক পরিমাণে ভেজাল মিশ্রিত থাকা সম্ভব না থাকে।
আরোও পড়ুন
প্রতিদিন সরিষার তেল খেলে কি হয়
বর্তমান যুগের রান্নার জন্য প্রতিদিন প্রায় সরিষার তেলই ব্যবহার করে থাকে আমাদের দেশের মানুষ। এই তেলের গুনাগুন অবশিষ্ট অনেক বেশি।
আমরা আগে রান্না ঘরে বেশি প্রাধান্য দিতাম সয়াবিন তেল অথবা পাম তেল। কেননা এটি দামি কম ছিল।যার ফলে আমরা সয়াবিন তেলের গুনাগুন না জেনেই সেটা কিনতাম আর সরিষার তেলের দাম বেশি হয় এটি কেনা বা তার গুনাগুন সম্পর্কে জানার কোন প্রয়োজন ছিল না।
কিন্তু বর্তমানে সরিষার তেল আর সোয়াবিনের তেলের দাম প্রায় সমান। আর সরিষার তেলে বিভিন্ন ধরনের গুণাবলী থাকার কারণে এটি আমাদের রান্নাঘরে প্রাধান্য বেশি পাচ্ছে।
আপনি যদি আপনার রান্নার জন্য যেমন ভাজি করা, ফার্স্ট ফুড বানানো, সকল রান্নার ক্ষেত্রে যদি সরিষার তেল ব্যবহার করেন তাহলে খাবারের স্বাদটা দ্বিগুণ আকারে বৃদ্ধি পাবে এর সাথে সাথে আপনার শরীরকেও স্বাস্থ্যসম্মত রাখতে সরিষার তেল সাহায্য করবে।
আমরা বাঙালিরা মাছের ভাতে বাঙালি এই কথাটা কিন্তু সবাই জানে। আমাদের দেশে ইলিশ মাছের অত্যন্ত প্রচলন এবং জনপ্রিয় একটি মাছ। এই মাছ খাওয়ার জন্য মূলত সরিষার মাধ্যমিক খেতে অনেক ভালো লাগে।
ইলিশ মাছ বাড়িতে আনলে শরবত লাগে আমরা সরিষা আছে কিনা সেটা চেক করি। কেননা ইলিশ আর সরিষা মিশ্রিত হয়ে তাদের স্বাদকে প্রায় চরম আকারে নিয়ে যায়। যার ফলে এই ইলিশ সরিষা খেতে অনেক সুস্বাদু মনে হয়।
এটাতো কিছুই নয় আমরা যে বিরিয়ানি খেতে যাই বিভিন্ন রেস্টুরেন্টে যেমন কাচ্চি ভাই সুলতান ডাইনস কাবাব ঘর তেহেরি ঘর হাজীর বিরিয়ানি এদের সকলের বিরিয়ানির স্বাদ এত বেশি হওয়ার কারণেই হলো বিরিয়ানিতে সরিষার তেলের ব্যবহারের।
কারণ রান্না করার পদ্ধতি প্রায় সেম কিন্তু এদের এত স্বাদ হওয়ার একমাত্র কারণ হলো তারা সরিষার তেলের সঠিক ব্যবহার করতে পারে।
এই সকল দোকানের মালিকগণ তাদের রেসিপি তো আর আকাশ বা পাতাল থেকে বা রকেটে করে মঙ্গল গ্রহে থেকে তো আনে নাই তারা শুধুমাত্রই সরিষার তেলের ব্যবহার করে তাদের রেস্টুরেন্টের বিরিয়ানির সাধকে চরম আকারে বৃদ্ধি করে থাকে।
চিকিৎসকগণদের মতে সরিষার তেল যদি ছোট বাচ্চাদের ব্যবহার করানো যায় তাহলে তাদের শরীরের সুস্থতা থাকার পাশাপাশি বিভিন্ন ধরনের পুষ্টির অভাব পূরণ করতে থাকে। বাচ্চাদের সরিষার তেল খাওয়ার উপকারিতা ও অপকারিতা রয়েছে।
বাচ্চাদের সরিষার তেল ব্যবহার উপকারিতা ও অপকারিতা
ইতিমধ্যে আমরা জেনেছি মানব দেহের জন্য সরিষার তেল অত্যন্ত উপকারী। বিশেষ করে বাচ্চাদের সরিষার তেল ব্যবহার উপকারিতা ও অপকারিতা উপায় দিক রয়েছে।
কেননা আমরা সকলেই জানি সরিষার তেল মানুষের দেহের জন্য কতটুকু উপকারী। ছোট বাচ্চাদের দেহের যত্ন বা উন্নতি করার করার জন্য আমাদের বিশেষ কিছু প্রোডাক্ট ব্যবহার করা প্রয়োজন হয় ।
সরিষার তেল ছোট বাচ্চাদের দেহের হাড়কে মজবুত করতে সাহায্য করে। বিশেষভাবে এটি ব্যবহার করা হয় ছোট বাচ্চাদের অর্থ সঞ্চালন বৃদ্ধি করার জন্য।শীতকালে ছোট বাচ্চাদের সরিষার তেল মাখানোর ফলে তাদের দেহ উষ্ণ থাকে।
কেননা সরিষার তেল শরীরে নেশার জন্য দীর্ঘ সময় প্রয়োজন হয় যার ফলে ছোট বাচ্চাদের দেওয়া উষ্ণ থাকে । এর ফলে কোন উপকার ঠান্ডা বা শীতল জাতীয় কোন রোগ ছোট বাচ্চাদের হতে দেয় না।
শীতকালে ছোট বাচ্চাদের সরিষার তেল দিয়ে মালিশ করার ফলে তাদেরকে প্রতিকার করার মতন একটি স্তর তৈরি হয় যার ফলে বিভিন্ন প্রকার রোগ থেকে মুক্তি পেতে পারে ছোট বাচ্চারা।
ইদানিং আমাদের দেশের অনেক মানুষের ডেঙ্গু রোগে আক্রান্ত হচ্ছে তারা যদি সরিষার তেল বা ছোট বাচ্চাদের প্রতিদিন সরিষার তেল মালিশ করে দেয় তাহলে তাদের রক্ষা পাবে।
কারণ সরিষার তেলে একপ্রকার তীব্র ঝাঝ এবং একটি গন্ধ রয়েছে যা মানব দেহে বা ছোট বাচ্চাদের মশা কামড়ানো হতে দূরে রাখে। এই গন্ধর ফলে মশা মানব দেয়ার আশেপাশেও আসতে পারে না।
সরিষার তেলের বিভিন্ন প্রকার উপাদান রয়েছে। যার ফলে আমাদের দিয়ে বিভিন্ন প্রকার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার অ্যান্টিবায়োটিক তৈরি হয়। এর ফলে কোন রোগ আমাদের দেহে বাসা বাঁধতে পারে না।
ছোট বাচ্চাদের ফুসকুড়ি দূর, প্রাকৃতিক ময়েশ্চারাইজার ত্বক করার ক্ষেত্রে এই তেলের ব্যবহার ব্যাপক। শীতকালে সরিষার তেল দিয়ে মালিশ করার ফলে দেহ উষ্ণ থাকার পাশাপাশি মশ্চারাইজারও হতে থাকে প্রাকৃতিকভাবে।
ইতিমধ্যে আমরা জানলাম উপকার কি কিভাবে করতে পারে এখন আমরা জানবো উপকারগুলো সম্পর্কে।সরিষার তেলে তেমন কোন অপকার নেই। ছোট বাচ্চাদের বিশেষ করে বেশি ক্ষতিকর না।
আবার এটি ক্ষতিকরও হতে পারে। অনেক সময় ছোট বাচ্চাদের বোঝা যায় না তাদের এলার্জি বা অন্য কোন চর্ম রোগে আক্রান্ত রয়েছে। আর এই তেল ব্যবহার করার ফলে এই রোগ গুলো মাথা ছাড়া দিয়ে উঠতে পারে।
যে সকল শিশুর অতিরিক্ত ঘামে তাদের সরিষার তেল ব্যবহারের ফলে আরও বেশি গরম ধরতে পারে। সরিষার তেল অনেক পুরু হয় যার ফলে বিভিন্ন ধরনের ময়লা আটকে যেতে পারে।
যার পরিপ্রেক্ষিতে ছোট বাচ্চার হাতের মাধ্যমে ময়লা তার দেহে প্রবেশ করবে। ছোট বাচ্চাদের আবার র্যাস বের হতে পারে। আমরা সকলে জানি সরিষার তেল অতিরিক্ত ঝাঁজ রয়েছ।
এই ছাদের কারণে অনেক বাচ্চার সমস্যার সৃষ্টি হতে পারে। তাই আমরা বলতে পারি ছোট বাচ্চাদের সরিষার তেল খাওয়ার উপকারিতা ও অপকারিতা উভয় দিক রয়েছে। আমাদের উচিত সেগুলো মেনে চলা।
সরিষার তেল চুলে দেওয়ার উপকারিতা
আমরা অনেকে জানি চুলের জন্য নারিকেল তেল অনেক উপকারী। কিন্তু অনেকেই জানিনা যে চুলের যত্নের জন্য সরিষার তেলের কতটা উপকার রয়েছে।
কোন ব্যক্তি যদি এটি প্রতিদিন ব্যবহার করতে হলে তাহলে তার চলে যাবতীয় সমস্যার সমাধান এক নিমিষে হয়ে যাবে।সরিষার তেল প্রায় মাঝে মাঝেই কিন্তু আমাদের মাথার তালুতে ব্যবহার করা উচিত।
আমরা সরিষার দেখলেই মনে করি এর ঝাজ অথবা গন্ধ রয়েছে। ঠিক সরিষার তেলেরও একই এর জন্য এটি ব্যবহার করার পর ভালোভাবে কোন সুগন্ধযুক্ত শ্যাম্পু দিয়ে মাথা পরিষ্কার করে নিতে হবে যেন কেউ এর গন্ধ বা কাজ না পায়।
আমাদের চুল বড় বন্ধ করতে সাহায্য করে। প্রতিদিন একটি মালিশ করার ফলে চুলের গোড়া মজবুত হতে থাকে। এর ফলে আমাদের চুল পড়া কমে যায় এবং দ্রুত বৃদ্ধি হয়।
এই তেলে বিভিন্ন ধরনের উপাদান রয়েছে ও ভিটামিনের রয়েছে ভিটামিন এ থেকে শুরু করে কে পর্যন্ত। এছাড়াও জিন শহর বিভিন্ন ধরনের পদার্থ রয়েছে যা আমাদের চুলকে লম্বা করতে সাহায্য করে।
টক দই এর সাথে সরিষার তেল মাখিয়ে ভালোভাবে মাথায় মালিশ করে ভেজা তোয়ালে বা কাপড় পেচিয়ে হালকা গরম পানির মধ্যে দিয়ে সেটি যদি মাথায় দিয়ে রাখতে পারে তাহলে তার চুল পড়া অতি সহজে বন্ধ হয়ে যাবে।
সরিষার তেল আমাদের মাথার চুলের উপকারের জন্য একটি বিশেষ তেল। এর বিভিন্ন উপাদান রয়েছে যা আমাদের চুলকে বৃদ্ধি করা চুলের গোড়া মজবুত করে আকর্ষণীয় করে তুলতে পারে।
সরিষার তেল মালিশ করা
আমরা জানি সরিষার তেল আমাদের দেহের বিভিন্ন জয়েন্ট বা হার্ডি মজবুত করতে সাহায্য করে । এই তেল আমাদের শরীরের জন্য অত্যন্ত উপকারী।
আর এই তেল দিয়ে মালিশ করলে আমাদের শরীরের বিভিন্ন জায়গার ব্যাথা ভালো হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। কেননা এই সরিষার তেলে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের ভিটামিন এবং বিভিন্ন ধরনের উপাদান।
যা আমাদের দেহের জয়েন্টের ব্যথা আমাদের দেহের বিভিন্ন সার্বিক উন্নয়ন করে। আমরা যদি আমাদের দেহের বিভিন্ন জায়গায় যেখানে ক্ষত বা ব্যথা অনুভবে সে জায়গায় যদি সরিষার তেল দিয়ে মালিশ করতে থাকে তাহলে সেই ব্যথা অতি সহজেই দূর করা সম্ভব হবে।
এছাড়াও আমাদের দেহের বাতের ব্যথা সহ যত রকম ব্যাথা আছে তো সব ব্যথা থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য সরিষার তেল ব্যবহার করতে পারি।
আমাদের দেশে অনেক আগের একটি প্রথা আছে আমাদের যদি কোন জায়গায় ব্যথা অনুভব মস্কর লাগে এই মূলত এই সরিষার তেল দিয়ে মালিশ করার পাশাপাশি ছাড়ার মাধ্যমে আমাদের সেই ব্যথা ভালো করাই আমাদের নানিরা উস্তাদ।
মূল কথা হলো বাচ্চাদের সরিষার তেল খাওয়ার উপকারিতা ও অপকারিতা উভয়ের দিক রয়েছে। এখন আমাদের উপর নির্ভর করবে যে আমরা কোন দিকটি ব্যবহার করব।
আমাদের উচিত সেই সকল জিনিস অতিরিক্ত ব্যবহার না করা যার মাধ্যমে আমাদের দেহেরও ক্ষতি হতে পারে। বিশেষ করে আম ছোট বাচ্চাদের শরীর অত্যন্ত কমলেও এবং নরম হয়ে থাক।
যার ফলে তাদের দেহে অতিরিক্ত কোন কিছু ব্যবহারের রেডিয়েশন বা ক্ষতিকর দিক প্রকাশিত হতে পারে এজন্য আমরা সতর্ক সহকারে সরিষার তেল বাচ্চাদের দেহে ব্যবহার করতে হবে। কেননা বাচ্চাদের সরিষার তেল খাওয়ার উপকারিতা ও অপকারিতা উভয় দিক রয়েছে
অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url