কালোজিরা খাওয়ার উপকারিতা ও অপকারিতা গুলো কি কি
প্রিয় বন্ধুরা, আপনারা কি কালোজিরা খাওয়ার উপকারিতা ও অপকারিতা গুলো কি কি সেই সম্পর্কে জানতে চাচ্ছেন? বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুঁজির পরও কোথাও সঠিক টা জানতে পারছেন না। আজকে আমরা এই পোষ্টের মাধ্যমে কালোজিরা খাওয়ার উপকারিতা ও অপকারিতা গুলো কি কি সেই সকল বিষয়ের সম্পর্কে জানবো।এই সম্পর্কিত সকল তথ্য জানতে পোস্টটি মনোযোগ সহকারে পড়ুন।
এছাড়াও আমরা এখানে আরো অনেক কিছু নিয়ে জানতে পারবো। কালোজিরা খাওয়ার নিয়ম,তেলের ব্যবহার,কালোজিরা খেলে কি কোন ক্ষতি আছে না শুধু এর উপকারী হয়, এই সকল বিষয়ে আমরা এ পশ্চিম মাধ্যমে জানতে পারবো। চলুন আমরা পোস্টটি পড়ি,,,
কালোজিরা কি
কালোজিরা হলো মূলত এক ধরনের গাছ। এটিকে আমরা মৌসুমি গাছও বলতে পারি।এই গাছটি দুই ধরনের জিনিস উৎপন্ন করে। কোন সময় এই গাছ থেকে ফল উৎপন্ন হয় আবার কোন সময় এটি থেকে ফুলও হয়। এর ফুল কিন্তু আবার দুই ধরনের হয় একটি হলো স্ত্রী ফুল অন্যটি হলো পুরুষ ফুল।
আরো পড়ুন:কানে ইনফেকশন হলে করণীয়
কালোজিরা গাছের রং দেখতে কিছুটা নীলচে সাদা। এটি আবার জাত ভেদে অনেক সময় হলুদ রঙেরও হয। এই গাছটির পাঁচটি পাপড়ি থাকে।এই গাছের ঠিক একদম কিনারার দিকে একটি বাড়তি অংশ আছে।বীজের আকার মূলত ত্রিকোণ আকৃতির এবং কালো রঙের।এর এক ধরনের ফল হয়।
এই ফলটি দেখতে গোলাকার এবং এর মধ্যে ২০ থেকে ২৫ টি বীজ বিদ্যমান।কালোজিরা চিকিৎসা ক্ষেত্রে অনেক ব্যবহৃত হয়। এটি মশলা হিসেবেও ব্যবহৃত হয় যা পাঁচফোড়ন এর প্রধান উপাদা। এরি থেকে কিন্তু তেলও তৈরি হয। যা মানুষের কাছে বহুল পরিচি।
কালোজিরা খাওয়ার নিয়ম
কালোজিরা একটি চিকিৎসার ফল।এটি মানুষ বিভিন্ন ভাবে খেয়ে থাকে। আমরা কালোজিরা খাওয়ার সঠিক নিয়মটি জানবো :
স্মরণশক্তি বৃদ্ধির ক্ষেত্রে যেভাবে কালোজিরা খাব: প্রথমে একটি চা চামচের এক চামচ পুদিনাপাতা বা কমলা রসের সাথে এক চামচ কালোজিরা তেল মিশিয়ে রোজ তিনবার করে খেলে আপনার সমস্ত টেনশন দূর হয়ে যাবে। এটি ছোট বাচ্চাদের মেধা বিকাশের ক্ষেত্রে দ্বিগুণাকার এ কাজ করে।এটি আমাদের মস্তিষ্কের রক্ত চলাচলের গতিকে বৃদ্ধি করে আমাদের স্মরণশক্তি বাড়ানোর ক্ষেত্রে কাজ করে
মাথা ব্যাথার ক্ষেত্রে কালোজিরার ব্যবহার: আমরা কি কেউ জানি যে কালোজিরা থেকে তেল উৎপন্ন হয়। সেই তেল যদি এক থেকে দুই চামচ মাথায় ভালোভাবে মালিশ করা যায় তাহলে মাথাব্যথা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়এবং মাথা ঠান্ডা থাকে। কোন ব্যক্তি যদি ৩/৪ সপ্তাহে রোজ তিনবার এক থেকে দুই চামচ কালোজিরা তেল এবং সঠিক পরিমাণে মধু পান করে তাহলে তার মাথাব্যথা দূর হয়ে যাবে।
সর্দির ক্ষেত্রে কালোজিরার ব্যবহার: যে ব্যক্তির প্রতিদিন তিনবার এক কাপ চায়ের মধ্যে এক বা দুই চামচ কালোজিরা তেল ও মধু মিশিয়ে পান করে তার সাথে ঘাড়ের ব্যথা ঠিক না হওয়া পর্যন্ত তেল দিয়ে মালিশ করে তাহলে সর্দি ভালো হয়ে যাবে। এছাড়াও যদি কালোজিরা তেলের সাথে এক চামচ তুলসী পাতার রস খাওয়া যায় তাহলে সর্দি জ্বর কাশি থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।
হার্টের ব্যথার ক্ষেত্রে কালোজিরার ব্যবহার:কোন ব্যক্তি যদি ৫/৬সপ্তাহ প্রতিদিন এক চামচ কালোজিরা কে গুড়া করে গরম দুধ বা কফির সাথে মিশিয়ে প্রতিদিন দুইবার পান করে উপকৃত হবে।
পাইলসের সমস্যার ক্ষেত্রে কালোজিরার ব্যবহার: কোন ব্যক্তির যদি ৪/৬ সপ্তাহ দৈনিক খালিপেটে এক চামচের মতো মাখন এবং পরিমাণ মতো তিলের তেল ও এক চামচ কালোজিরার তেল পান করলে তার পাইলসের রোগের সমস্যার সমাধান হবে।
বাতের ব্যথার ক্ষেত্রে কালো জিরার ব্যবহার:যে ব্যক্তির বাঁতের ব্যথার সমস্যা তার সেই স্থানটি পরিষ্কার করে ধুয়ে সেখানে কালোজিরা তেল মালিশ করা এবং ৩/৫ সপ্তাহে প্রতিদিন তিনবার করে হলুদের রস এবং তার সাথে এক চামচ কালোজিরা ও মধু মিশিয়ে খেলে বাতের ব্যথা সম্পূর্ণ সেরে যাবে।
ব্লাড প্রেসারের ক্ষেত্রে কালোজিরার ব্যবহার:কোন ব্যক্তি যদি অতিরিক্ত ব্লাড প্রেসার থেকে থাকে তাহলে সে ব্যক্তিকে ভালোভাবে কালোজিরার তেল ভালোভাবে তার শরীরে মালিশ করে আধ ঘন্টা সূর্যের নিচে তাকে বসিয়ে রেখে তাপ শোষণ করতে হবে সেই সাথে রসুনের দুই কোয়া খেতে হবে চিবিয়ে। তাহলে তার ব্লাড প্রেসার নিয়ন্ত্রণে থাকবে।
শ্বাসকষ্ট বা হাঁপানের ক্ষেত্রে কালোজিরার ব্যবহার :কোন ব্যক্তি যদি শ্বাসকষ্ট বা হাঁপানি মত সমস্যায় ভুগছেন তারা তাদের খাদ্য তালিকায় প্রতিদিন কালোজিরা ভর্তা অন্তর্ভুক্ত করুন।শ্বাসকষ্ট বা হাঁপানের জন্য কালোজিরা সবচেয়ে উপকারী বস্তু।
যৌন সমস্যার ক্ষেত্রে কালোজিরার ব্যবহার: অনেক পুরুষ বা নারী আছে যাদের যৌন সমস্যা আছে। কালোজিরা যৌন ক্ষমতার বৃদ্ধি করে এবং সমস্যা প্রতিরোধ করে। কোন পুরুষ যদি দৈনিক কালোজিরা খেতে পারে তাহলে তার স্পার্মের সংখ্যা বেশি হবে।সে তার পুরুষত্বহীনতা থেকে মুক্তি পেতে পার। একটা চামচ কালোজিরা, এক চামচ মাখন ও এক চামচ জায়তুনের তেল ৪/৫ সপ্তাহে যদি প্রতিদিন তিনবার খেতে পারে তাহলে তার জন্য এটি খুবই উপকারী।
অনিয়মিত মাসিক ক্ষেত্রে কালোজিরার ব্যবহার;যে সকল মেয়েদের অনিয়মিত মাসিক হয়ে তাকে তারা হল হলুদের রসের সাথে কালোজিরার তেল যদি প্রতিদিন তিনবার করে খেতে পারে তাহলে বুঝতে পারবেন এর উপকারিতা কতটা বেশি। এমনও হয় যে তা নিয়ন্ত্রণে চলে আসে। সকল মায়েরা যদি রাতে ঘুমানোর আগে ১০ থেকে ১৫ গ্রাম কালোজিরা ভালোভাবে মিহি করে বন্ধুদের সাথে মিশিয়ে সেটি পান করে তাহলে বুকে দুধের পরিমাণ অনেক বেড়ে যায়।
আমাশা রোগের ক্ষেত্রে কালো জিরার ব্যবহার:অনেক আগে থেকে কালোজিরা তেল আমাশয় রোগের ঔষধ হিসেবে কাজ করে। এটি অনেক পুরাতন প্রথ। কোন ব্যক্তি যদি এক চা চামচ কালোজিরা সাথে সমপরিমাণে মধু সহ প্রতিদিন তিনবার এটি সেবন করে তাহলে তার এই আমাশয় থেকে সে মুক্তি লাভ করবে।
মেয়েদের বুকের দুধ তৈরিতে কালোজিরা ব্যবহার: পৃথিবীতে অনেক মেয়ে আছে যাদের হওয়ার পরও বুকের দুধ তৈরি হয় না।সে সকল মেয়েদের জন্য কালোজিরা উপকারী ঔষধ হিসেবে কাজ করে।
কালোজিরা তেলের ব্যবহারের নিয়ম
কালোজিরা হলো এক ধরনের ফল। সেই ফল থেকে এক ধরনের তেল তৈরি হয়। এই তেলটি মানবদেহের জন্য অত্যন্ত উপকারী বা ঔষধি বস্তু। এই তেলে বিভিন্ন ধরনের উপাদান রয়েছ। যা মানবদেহকে বিভিন্ন রোগবালায় থেকে মুক্ত রাখে। সকলের ধারণা মতে কালোজিরাতে প্রায় ১০০ টিরও বেশি উপাদান রয়েছে। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো শর্করা, তেল ও চর্বি এবং আমিষ।
কালোজিরা তেলে আমিষ রয়েছে প্রায় 21 শতাংশ, শর্করা রয়েছে 100 ভাগের ৩৮ ভাগ, এবং তেল ও চর্বি রয়েছে প্রায় ৩৫ ভাগ। তাহলে বুঝতেই পারছেন যে কালোজিরা তেল কতটা উপকারী। কালোজিরার তেল আমরা হলুদ বা দুধ এবং মধুর সাথেও মিশিয়ে খেতে পারে।
এই তেলের এতই গুণাবলী রয়েছে যা মানব দেহের প্রতিটি অঙ্গ প্রত্যঙ্গের সচল রাখতে সাহায্য করে এবং আমাদের দেহের উন্নতি করে। ছোট থেকে শুরু করে বড়দের সকল মানুষের জন্য এটি এক ধরনের নিয়ামক।
প্রতিদিন তিনবার করে একটা চামচ কালোজিরা সঙ্গে হলুদ বা দুধের সাথে মিশিয়ে পান করলে স্মরণশক্তি হজমশক্তি মাথা ব্যাথা থেকে মুক্তি পাওয়া যাবে। এছাড়াও কেউ যদি প্রতিদিন একটা চামচ কালোজিরা তেল এবং সমপরিবারে মধু প্রতিদিন সেবন করে তাহলে সে জ্বর সর্দি কাশি হাঁপানি শ্বাসকষ্ট থেকে মুক্তি পাব। আমরা উপরের এর নিয়ম সম্পর্কে এবং কিভাবে কতটুকু খেতে হবে তা আলোচনা করেছি।
কালোজিরা চিবিয়ে খাওয়ার উপকারিতা
কালোজিরা আর মানবজাতির জন্য একটি মহৌষধ হিসেবে কাজ করে। এর ১০০ টির বিশ্ব উপাদান রয়েছে যা মানব দেহে বিভিন্ন চাহিদা পূরণ করে থাক।কোন ব্যক্তি যদি প্রতিদিন এটি চিবিয়ে খায় তাহলে শরীরের সকল অঙ্গ-প্রত্যঙ্গকে সতেজ রাখতে এটি সাহায্য করে।কালোজিরা চিবিয়ে খাওয়ার উপকারিতা অনেক বেশি।
এছাড়াও কালোজিরার তেল আমাদের দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে দ্বিগুণ আকারে বাড়িয়ে দেয়। যার কারণে আমাদের দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার ইমারত গড়ে ওঠে।কালোজিরা যদি কেউ প্রতিদিন খেতে পারে চিবে তাহলে তার শ্বাসকষ্ট হাঁপানিজনিত রোগ থেকে আরাম পাবে।
আমরা যেভাবেই কালোজিরা খাই না কেন কালোজিরা আমাদের দেহে একবার প্রবেশ করতে পারলে সে তার কাজগুলো সঠিক নিয়মে করতে থাকে।চিবিয়ে খাওয়ার ফলে পুরুষেরা তার পুরুষত্ব ফিরে পায়। এছাড়াও মেয়েরা যদি কালোজিরা চিবিয়ে খায় তাহলে তার অনিয়মিক মাসিক নিয়ন্ত্রণে আসবে এবং তাদের বুকে পর্যাপ্ত পরিমাণ দুধের প্রবাহ তৈরি হবে। আমরা কালোজিরা চিবিয়ে খায় বা কালোজিরা তেল খায় বা কালোজিরার ভর তাই কেননা খাই আমাদের সকল উপকার হতেই থাকবে।
কালোজিরার উপকারিতা ও অপকারিতা
কালোজিরা মানুষের অনেক উপকারী হিসেবে গণ্। যা মানব দেহে শুধু উন্নতি করতে থাকে।দেহের পুষ্টি সরবরাহ করা থেকে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার বৃদ্ধি সকল উপকার কাজ করে থাকে চলুন আজকে আমরা এর উপকারিতা সম্পর্কে জানব :
- কালোজিরাতে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন রয়েছে এজন্য কালোজিরা কে প্রোটিন উৎসব বলতে পার।যে ব্যক্তি ১০০ গ্রাম কালিজিরা খেতে পারবে তার দেহে কালিজিরা ৩০ গ্রাম প্রোটিনের চাহিদা পূরণ করে দেবে।এর ফলে সেই ব্যক্তির প্রোটিন চক্র এবং মেটাবলিজম ভালোভাবে কাজ করে।
- কালোজিরা আমাদের দেহে ভিটামিনের চাহিদা ও পূরণ করে।মানবদেহের জন্য ভিটামিন এ হল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি ভিটামিন। ভিটামিন এ আমাদের দেহে নিরাপত্তার রক্ষার ক্ষেত্রে কাজ করে আর আমরা এটি কালোজিরা থেকে অধিক পরিমাণে পেয়ে থাকি।
- এটি আমাদের ভিটামিনের পাশাপাশি আমাদের চক্ষু স্বাস্থ্যের উন্নতি করতে থাকে।
- কালোজিরা ভিটামিনের পাশাপাশি আমাদের দেহের আয়রনেরও চাহিদা পূরণ করে থাকে।কালোজিরা কি আমরা আয়রনের উৎসও বলতে পারি কিন্তু।মানবদেহে রক্তে হিমোগ্লোবিন বাড়ানোর ক্ষেত্রে আয়রন কাজ করে।আর এই আয়রন আমরা কালোজিরা থেকে পাই।
- কালোজিরা কে ফোলেট এর উৎস কিন্তু বলে থাকে।এটি গর্ভবতী মায়ের এবং তার ভ্রূনের স্বাস্থ্যের উন্নয়নের জন্য অত্যন্ত উপকারী একটি জিনিস।
আমরা একটু আগে এর উপকারিতা সম্পর্কে জানলাম এবার আমরা অপকারিতা সম্পর্কে জানব। কালোজিরার অপকারিতা খুবই কম রয়েছ। এটি শুধু মানসিক সমস্যা হয়ে থাকে ।বিস্তারিত নিতে জানবো :
- আমাদের মধ্যে অনেকেই আছে যাদের কালোজিরা খাওয়ার ফলে পেটে গ্যাস বা বুদবুদের সৃষ্টি হয়।কিন্তু যদি নিয়মিত খাওয়া যায় তাহলে এই সমস্যাটি আর দেখা যায় না।
- কালোজিরা খাওয়ার ফলে অনেকেরই আছে যাদের জ্বর ও হাটবিষ প্রণালী দেখা যায়। এটি তেমন একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নয়।
- অনেক মানুষ আছে যাদের উচ্চ রক্তচাপ ডায়াবেটিস কিংবা এলার্জি জাতীয় সমস্যা রয়েছে তারা কালোজিরা না খাওয়াই উত্তম।
প্রতিদিন কালোজিরা খেলে কোন ক্ষতি উপকার হয়?
কালোজিরা মানুষের স্বাস্থ্যের জন্য খুবই উপকারী একটি বস্তু। এটি সব সময় আমাদের উপকার হিসেবে কাজ করে।কেউ যদি প্রতিদিন কালোজিরা সেবন করে এটি তার স্বাস্থ্যের জন্য কোন ক্ষতি হিসেবে গণ্য হয় না কিন্তু যদি কেউ অতিরিক্ত মাত্রায় কালোজিরা প্রতিদিন সেবন করতে থাকে সেটি তার স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতি করে হিসেবে গণ্য হবে।
তার বিভিন্ন ধরনের সমস্যা দেখা দিতে পেরে যেমন বদহজম হওয়া পেট খারাপ হওয়া এগুলো দেখা দিতে পারে। কালোজিরা কালোজিরা পরিমাণ মতো সেবন করলে এটি আমাদের মহৌষধ হিসেবে কাজ করবে।
গর্ভাবস্থায় কালোজিরা খাওয়ার নিয়ম
মেয়েদের জন্য মা হওয়া একটি নিয়ামক। এই সময় আর মেয়েদের তাদের স্বাস্থ্যের খেয়াল রাখতে হয়।কালোজিরা স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী।অনেকেই মনে করে যে গর্ভ অবস্থায় কালোজিরা খেলে সেটি গর্ভবতী মহিলার জন্য ভয়ংকর হতে পারে। কিন্তু এটি ঠিক নয় করা অবস্থায় কালোজিরা খেলে গর্ভবতী মহিলার জন্য এটি অত্যন্ত উপকারী একটি বস্তু।
গর্ভাবস্থায় মহিলাদের বিভিন্ন ধরনের সমস্যা দেখা যায়। যেমন মেয়েদের ঘাড়ে ব্যথা হয় এবং বদহজমের সৃষ্টি হয়। কালো জিরা এর ঔষধ হিসেবে কাজ করে।গর্ভবতী মহিলাদের কালোজিরার ভর্তা বা বিভিন্ন সবজির সাথে কালোজিরা মিশিয়ে সেবন করা তা করলে স্বাস্থ্যের এবং ভ্রুনের স্বাস্থ্যের জন্য খুবই উপকারী। তাহলে আমরা বুঝতে পারলাম গর্ভাবস্থায় কালোজিরা খাওয়ার নিয়ম।
এজন্য আমরা বলতে পারি কালোজিরা শুধু মানুষের মৃত্যু বাদে প্রায় সকল রোগের ঔষধ হিসেবে কাজ করে।কালোজিরা আমরা নিয়মিত পরিমাণ মতো যদি সেবন করতে পারি তাহলে এটি আমাদের জন্য অত্যন্ত উপকারী হিসাবে গণ্য হবে।
অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url